এক উল্লেখযোগ্য সাংগঠনিক পরিবর্তনের মাধ্যমে, তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যানের পদ গ্রহণ করেছেন । শুক্রবার রাতে গুলশানে দলের চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির এক জরুরি সভায় এই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়।
বৈঠকের পর, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংবাদ সম্মেলনে নিশ্চিত করেন যে এই পদক্ষেপ দলের গঠনতন্ত্রের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শূন্যস্থান পূরণের জন্য ২০১৮ সাল থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করা তারেক রহমান এই পদটি গ্রহণ করেছেন ।
মির্জা ফখরুল বলেন, “দলীয় গঠনতন্ত্রের বিধান অনুসারে, জাতীয় স্থায়ী কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমানকে বিএনপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব অর্পণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”
সভার মূল বিষয়বস্তু:
- নেতৃত্বের পরিবর্তন: আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সংস্থা জাতীয় স্থায়ী কমিটি তারেক রহমানের নেতৃত্বকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করে।
- সফর স্থগিতকরণ: মির্জা ফখরুল আরও ঘোষণা করেন যে তারেক রহমানের উত্তর বাংলাদেশের পূর্ব নির্ধারিত সফর স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে একটি সংশোধিত সময়সূচী প্রদান করা হবে।
- রাজনৈতিক কৌশল: তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং দলের কৌশলগত রোডম্যাপ নিয়ে আলোচনা করা হয়।
উপস্থিতি
উচ্চ পর্যায়ের এই বৈঠকে সিনিয়র নেতাদের উপস্থিতি ছিল, যার মধ্যে রয়েছে:
- খন্দকার মোশাররফ হোসেন
- মির্জা আব্বাস
- গয়েশ্বর চন্দ্র রায়
- আব্দুল মঈন খান
- নজরুল ইসলাম খান
- আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী
- সালাহউদ্দিন আহমেদ
- সেলিমা রহমান
- ইকবাল হাসান মাহমুদ
- মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ
- এ জেড এম জাহিদ হোসেন
খালেদা জিয়ার সাম্প্রতিক মৃত্যুর পর নির্বাচনী চ্যালেঞ্জের জন্য প্রস্তুতি এবং রাজনৈতিক দৃশ্যপট পরিবর্তনের সময় বিএনপির জন্য এই পরিবর্তনটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এসেছে।
