আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় সংসদের বগুড়া-৬ আসনের উপ-নির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচন। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শুরু হবে ভোটযুদ্ধ, যা নিয়ে উভয় নির্বাচনী এলাকায় বিরাজ করছে টানটান উত্তেজনা।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত সময়সূচী অনুযায়ী, আজ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হবে এবং বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলবে। ভোটগ্রহণ করা হবে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে।
গতকাল বুধবার ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন যে, নির্বাচনের সব প্রস্তুতি এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত সম্পূর্ণ সন্তোষজনক এবং আমরা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে প্রস্তুত।”
বগুড়া-৬ আসনে ত্রিমুখী লড়াই
বগুড়া-৬ আসনের রিটার্নিং অফিসার মো. ফজলুল করিম জানান, এই আসনে উপ-নির্বাচনে মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন:
- মো. রেজাউল করিম বাদশা – বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), প্রতীক: ধানের শীষ।
- মো. আবিদুর রহমান – বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, প্রতীক: দাঁড়িপাল্লা।
- এছাড়া বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির একজন প্রার্থী ‘ফুলকপি’ প্রতীক নিয়ে মাঠে রয়েছেন।
এই আসনে ৪ লক্ষ ৫০ হাজার ৩০৯ জন ভোটারের জন্য ১৫০টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৮৩৫টি ভোটকক্ষ প্রস্তুত করা হয়েছে। উল্লেখ্য, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এখান থেকে জয়ী হলেও ঢাকা-১৭ আসনটি রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় এই উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শেরপুর-৩ আসনে সাধারণ নির্বাচন
শেরপুর-৩ আসনের রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানিয়েছেন, এখানেও মোট তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন:
- মো. মাহমুদুল হক রুবেল – বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), প্রতীক: ধানের শীষ।
- মো. মাসুদুর রহমান – বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, প্রতীক: দাঁড়িপাল্লা।
- বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) একজন প্রার্থী ‘কাঁচি’ প্রতীকে লড়ছেন।
এ আসনে ১২৮টি কেন্দ্রের ৭৫১টি বুথে ৪ লক্ষ ৯ হাজার ৮০৬ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। জামায়াতে ইসলামীর একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে গত ১২ ফেব্রুয়ারি এখানে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি কেন্দ্রে বাড়তি পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে বিজিবি ও র্যাব টহল দিচ্ছে।
